Home / আলোকিত ব্যক্তিত্ব / বাহারুল উলুম আল্লামা শাহ মোহাম্মদ কুতুব উদ্দিন (ম:জি:আ:) এর ইন্তেকাল

বাহারুল উলুম আল্লামা শাহ মোহাম্মদ কুতুব উদ্দিন (ম:জি:আ:) এর ইন্তেকাল

বায়তুশ শরফের সম্মানিত পীর বাহারুল উলুম আল্লামা শাহ মোহাম্মদ কুতুব উদ্দিন (ম:জি:আ:) ৯ মার্চ ১৯৩৯ সালে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার আধুনগর ইউনিয়নের সূফী মিয়াজী পাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মরহুম মুসলিম উদ্দিনও একজন আলেম ছিলেন।

তিনি লেখাপড়া করেছেন চুনতী হাকিমিয়া কামিল মাদ্রাসা ও চট্টগ্রাম শহরের দারুল উলুম আলিয়া মাদ্রাসায়। তিনি ১৯৫৯ সালে স্বর্ণপদক সহ প্রথম বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করে কামিল পাস করেন। তিনি হাদিস বিশারদ ও কুরআনের তাফসিরকারক, আরবি, ফার্সি ও উর্দু ভাষাবিদ হিসেবে আন্তর্জাতিক মহলেও খ্যাতি লাভ করেন। তিনি কুরআন-হাদিস এবং ইসলামী শরিয়াহ ও আধুনিক পরিবেশে জ্ঞান সমৃদ্ধ বলেই বাহারুল উলুম বা জ্ঞানের সাগর উপাধি লাভ করেন। তিনি চট্টগ্রাম নগরীর ডবলমুরিং থানা এলাকার ধনিয়ালা পাড়ায় অবস্থিত বায়তুশ শরফের প্রতিষ্ঠাতা প্রখ্যাত সূফীসাধক মাওলানা মীর মুহাম্মদ আখতার (রহ) এবং বায়তুশ শরফের প্রধান রূপকার শাহ সূফী মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল জব্বার (রহ) এর সান্নিধ্যে অবস্থান করে আধ্যাত্মিক সাধনায় নিমগ্ন হন।

কর্মজীবনে তিনি বায়তুশ শরফ আদর্শ কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দেশ সেরা অধ্যক্ষের পুরস্কারও অর্জন করেন। তিনি বহু আলেমদের উস্তাদ। তিনি ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংকের শরিয়াহ সুপারভাইজারি কাউন্সিলের চেয়ারম্যান। তিনি একাধারে একজন শায়খুল হাদিস ও আরবি সাহিত্যের খ্যাতিমান পণ্ডিত ছিলেন। যাঁর প্রখর ইলমে দ্বীনের যে উচ্চতা বর্তমানকালে তা খুব কম আলেমদের রয়েছে। তাঁর রচিত ‘গুলহায়ে আক্বিতদ’ পড়লে বুঝা যায় আরবী, উর্দু ও ফার্সি ভাষায় তাঁর পাণ্ডিত্য জ্ঞানের গভিরতা। এ ছাড়াও তাঁর অনেক রচনা আছে যেগুলো তাঁর জ্ঞান গরিমা ও পাণ্ডিত্যের পরিচয় বহন করে। এতটাই প্রখর মেধার অধিকারী ছিলেন যে সর্বমহলে যাঁর পাণ্ডিত্য অবাক হওয়ার মতো। তিনি একজন খ্যাতিমান মুহাদ্দিস। স্বভাবজাত কবি-শায়ের। এজন্য তাঁর আল্লামা এবং বাহারুল উলুম(জ্ঞানের সাগর) খ্যাতি যথাযথ।

আল্লামা কুতুব উদ্দিন (ম:জি:আ:) দীর্ঘদিন ধরে বায়তুশ শরফের পীর সাহেব হিসেবে ইছালে সওয়াব মাহফিল, কুমিরাঘোনা এর সমাপনী অধিবেশনে তাঁর মূল্যবান বক্তব্য পেশ করার পাশাপাশি দীর্ঘ আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেছেন। তাঁর সাবলীল কণ্ঠে গোছালো মোনাজাতে মানুষ মুগ্ধ হতেন এবং মোনাজাতে তাঁর কান্নার ধ্বনির সাথে সাথে লক্ষ লক্ষ মুসলিম জনতা দু-হাত তোলে আল্লাহর কাছে কান্না করে দোয়া চাইতেন। তাঁর ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে বায়তুশ শরফ কুমিরাঘোনার ইছালে সওয়াব মাহফিলের মাঠ কানায় কানায় ভরে যেতো। তিনি যেকোনো মাহফিলে মেহমান হিসেবে দাওয়াত পেলে সেখানে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা তাঁর বয়ান শুনতে উপস্থিত হতেন। এতোটাই মানুষের ভক্ত ছিলেন তিনি। কয়েক বছর ধরে তিনি লোহাগাড়ার অন্য এক মাহফিল ১৯ দিন ব্যাপী ঐতিহাসিক মাহফিলে সিরাতুন্নবী (সঃ) এর আখেরি মোনাজাতও পরিচালনা করেছেন। ১৯৯৮ সাল থেকে আমৃত্যু পর্যন্ত তিনি বায়তুশ শরফের পীর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বহু মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করেন। চট্টগ্রামসহ সারা দেশে তিনি দ্বীনে ইসলাম প্রচারের মধ্যদিয়ে তাঁর এই দীর্ঘ জীবন অতিবাহিত করেন। মাওলানা কুতুব উদ্দিন দক্ষিণ চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চুনতী হাকিমিয়া কামিল (অনার্স-মাস্টার্স) মাদ্রাসার প্রধান পৃষ্ঠপোষক। এছাড়া বায়তুশ শরফের অধীনে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিষ্ঠিত অসংখ্য মাদ্রাসা, মসজিদ, দাতব্য চিকিৎসালয়, এতিম খানা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। কয়েকবছর আগে কক্সবাজার বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্সে আল্লামা কুতুব উদ্দিন মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়। তাঁর লেখা একাধিক বিখ্যাত ধর্মীয় গ্রন্থও রয়েছে।

“মউতুল আলেমে মউতুল আলম” একজন আলেমের মৃত্যু যেনো পুরো পৃথিবীর মৃত্য। বিশ্বের এই ক্লান্তিলগ্নে এমন আলেমের মৃত্যু যেনো গোটা পৃথিবীকে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আলেমরা না থাকলে পৃথিবী ফিতনায় ভরে যাবে। শেষ জমানায় ফিতনা বেড়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক। কারণ ফিতনা কিয়ামতের আলামত। রাসুল (সঃ) বলেন, নিশ্চয়ই কিয়ামতের পূর্বে অন্ধকার রাত্রির মত ঘন কালো অনেক ফিতনার আবির্ভাব হবে। সকালে একজন লোক মুমিন অবস্থায় ঘুম থেকে জাগ্রত হবে। বিকালে সে কাফেরে পরিণত হবে। বহু সংখ্যক লোক ফিতনায় পড়ে দুনিয়ার সামান্য স্বার্থের বিনিময়ে তাদের চরিত্র ও আদর্শ বিক্রি করে দিবে। অপর বর্ণনায় এসেছে, তোমাদের একজন দুনিয়ার সামান্য সম্পদের বিনিময়ে তার দ্বীন বিক্রি করে দিবে’’। অর্থাৎ আলেমদের মৃত্যুর মধ্যদিয়েই কেয়ামত সংগঠিত হবে। আল্লাহর দেওয়া চিরাচরিত নিয়ম অনুযায়ী দেশবরেণ্য আলেমেদ্বীন, মুহাদ্দিস, মুফাস্সির, মুজাদ্দিদ, পীর সাহেব বায়তুশ শরফ আল্লামা শাহ মোহাম্মদ কুতুব উদ্দিন সাহেব আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। ঢাকাস্থ ধানমন্ডির আনোয়ার খান মডার্ন হসপিটাল লিমিটেডে নেয়ার পর তাকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে মরহুমের বয়স হয়েছিলো ৮১ বছর। তিনি স্ত্রী, ছয় মেয়ে ও এক ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান। বাহারুল আলম খ্যাত আল্লামা শাহ মোহাম্মদ কুতুব উদ্দীনের ইন্তেকালের খবর ছড়িয়ে পড়লে লোহাগাড়া, চট্টগ্রামসহ সর্বত্র শোকের ছায়া নেমে আসে।

দেশবরেণ্য ও বর্ষীয়ান এই আলেমেদ্বীনের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এমপি, চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ জ ম নাছির, চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. আবু রেজা মোহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী, সাবেক এমপি ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা শামসুল ইসলাম, সাবেক এমপি ও চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমির শাহজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির জাফর সাদেক, লোহাগাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউল হক চৌধুরী বাবুল, ভাইস চেয়ারম্যান এম ইব্রাহিম কবির, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ফরিদ উদ্দিন খান, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল আবচার, সাতকানিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ মোতালেব সিআইপি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইব্রাহীম চৌধুরী, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডানেশন চট্টগ্রাম মহানগরী সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের খান, সেক্রেটারি এস এম লুৎফর রহমান, লোহাগাড়া সমিতি-চট্টগ্রামের সভাপতি আলহাজ শফিক উদ্দিন, সেক্রেটারি নাজমুল মোস্তফা আমিনসহ বিভিন্ন জনিপ্রতিনিধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘মাওলানা কুতুব উদ্দিনের ইন্তেকালে দেশের আলেম সমাজে বিরাট শূন্যতার সৃষ্টি হলো। তার মতো এমন গভীর জ্ঞানের অধিকারী খুব কমই আছেন। তিনি একাধারে শিরকমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখেন এবং ইসলামী অর্থনীতি বাস্তবায়নে অনবদ্য অবদান রাখেন।’ তারা মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

তাঁর মৃত্যুতে দেশের শীর্ষ উলামায়ে কেরাম এক যুক্ত শোকবাণীতে সর্বজন শ্রদ্ধেয় বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন, বায়তুশশরফের পীরের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেন। শোকবাণীতে শীর্ষ উলামায়ে কেরাম বলেন, তার ইন্তেকালে বাংলাদেশের জনগণই নয়; বরং গোটা মুসলিম উম্মাহ একজন সুযোগ্য ইসলামী বুজুর্গকে হারাল। তার শূন্যস্থান পূরণ হওয়ার নয়। আল্লাহ তায়ালা তাকে জান্নাতবাসী করুন, জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন।
শোকবাণীতে স্বাক্ষর করেন, হাফেজ মাওলানা আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী হজুর, অধ্যক্ষ মাওলানা যাইনুল আবেদীন, সম্মিলিত উলামা মাশায়েখ পরিষদের সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা জাফরুল্লাহ খান, আইম্মাহ পরিষদ সভাপতি মাওলানা মহিউদ্দীন রব্বানী, ড. মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী, ফরায়েজী আন্দোলনের আমির মাওলানা আব্দুল্লাহ মো: হাসান, ইসলামী কানুন বাস্তবায়ন পরিষদের আমির মাওলানা আবু তাহের জিহাদী, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, হক্কানী পীর মাশায়েখ পরিষদের মহাসচিব মাও: শাহ আরিফ বিল্লাহ সিদ্দীকি, মীরের সরাইর পীর সাহেব মাও: আ: মোমেন নাছেরী, টেকের হাটের পীর সাহেব মাও: কামরুল ইসলাম সাঈদ আনসারী, মুফতি ফয়জুল হক জালালাবাদী, মুফতি মাওলনা আবদুর রহমান চৌধুরী, মাওলানা আজিজুর রহমান আজিজ, মাও: হাফেজ আবুল হোসাইন, মুফতি মাও: নাসির উদ্দীন খান, হক্কানী ত্বরীকত মিশনের আমির আধ্যাত্মিক গুরু শাইখ নুরুল হুদা ফয়েজী, হক্কানী ত্বরীকত মিশনের জেনারেল সেক্রেটারি আল্লামা মুস্তাক ফয়েজী, ইসলামী ঐক্য মঞ্চ সভাপতি মাওলানা ইদ্রিস হোসাইন, সেক্রেটারি আবদুস সাত্তার, খাদেমুল ইসলাম জামাত আমির মাওলানা মুহিবুল্লাহ, সেক্রেটারী মাও: সারওয়ার হোসাইন, হুফ্ফাজ পরিষদ সভাপিত হাফেজ লেয়াকত হোসাইন ও সেক্রেটারি মুফতি মাহবুবুর রহমান, ইসলামী অন লাইন এ্যাক্টিভিটস সভাপতি শায়খুল হাদিস মাওলানা আবদুস সামাদ ও মহাসচিব মুফতি আবু আনাস, সম্মিলিত ইসলামিক জোটের আমির মাওলানা আবদুল বাকি, সেক্রেটারি জেনারেল মাও: মনিরুজ্জামান, জাতীয় ইমাম সোসাইটির মহাসচিব মুফতি জোবায়ের আহমদ কাসেমী, প্রফেসর মাও: মুফতি ইসহাক মাদানী, হাফেজ মুফতি মাও: আব্দুর রহমান, মাওলানা মুহাম্মদ ইখলাস উদ্দিন, মাও: আবু হানিফ নেছারী, অধ্যক্ষ মাওলানা মশিউর রহমান, হাফেজ ফারুক হোসাইন, মাও: এহতেশামুল হক, নাস্তিক-মুরতাদ প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মাও: আব্দুল কুদ্দুস আল কাসেমী ও মহাসচিব শাইখ আব্দুল কাউয়ূম, জাতীয় তাফসির পরিষদ সভাপতি মাও: আব্দুল আখির ও মহাসচিব মাও: আবু দাউদ যাকারিয়া, ইসলাহুল মুসলিমিন সভাপতি মুফতি আবুল বাশার ও মহাসচিব মুহাদ্দিস হাসানুল ইমাম, জাতীয় মুফাসসিরিন পরিষদ সভাপতি মাওলানা বেলাল হোসাইন ও সেক্রেটারি মাওলানা নুরুল আমীন, জাতীয় ইমাম উলামা পরিষদের সভাপতি শায়খুল হাদিস মাওলানা ফজলুর রহমান ও মহাসচিব মাওলানা এ বি এম শফিকুল্লøাহ, মাদরাসা মসজিদ ও খানকা ঐক্যপরিষদ সভাপতি মাওলানা রফিকুর রহমান ও সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা গোলাম কিবরিয়া, ইসলামী সমাজ সভাপতি মাওলানা রফিকুর রহমান আল কাশেমী ও সেক্রেটারি জেনারেল মুফতি জাকারিয়া, ইসলামের জনতা সভাপতি মুফতি আবদুল কুদ্দুস ও মহাসচিব হাফেজ আবুল কাসেম, ইসলামী সংগ্রাম পরিষদ সভাপতি শাইখ যাইনুল আবেদীন ও সেক্রেটারি মাওলানা আবদুর রহমান, তালিমুল কুরআন সোসাইটির সভাপতি মুফতি আবদুল হালিম, মহাসচিব মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, আল কুরআন ফাউন্ডেশন সভাপতি মুফতি জামাল উদ্দীন ও সেক্রেটারি মুফতি ইসহাক, জমিয়াতে উলামা দেওবন্দ পরিষদের সভাপতি হজরত মাওলানা মুহাদ্দিস আবদুল্লাহ কাসেমী ও সেক্রেটারি হজরত মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক কাসেমী প্রমুখ।

About Tamzid20

Check Also

প্রফেসর ড. মুঈন উদ-দীন আহমদ খান

চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া উপজেলার এক ঐতিহ্যমণ্ডিত শিক্ষিত সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবার “ডিপুটি বাড়ি”-তে জন্ম নেন প্রখ্যাত …

মরহুম মৌলানা মুসলিম খাঁন স্মরণে

লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি গ্রামের আরেক কীর্তিমান পুরুষ, অনুসরণীয় সমাজ সেবক, অপরিসীম জ্ঞান ও মেধাসম্পন্ন, বহুমূখী …

মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের কবি নওয়াজিশ খান

নওয়াজিশ খানের রোমান্সমূলক প্রেমকাহিনী হিসেবে গুলে বকাওলী যে তখন খুবই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল এসব দৃষ্টান্তে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *