Home / প্রাচীন স্থাপনা ও নিদর্শন

প্রাচীন স্থাপনা ও নিদর্শন

প্রাচীন স্থাপত্যের নিদর্শন মোহাম্মদ খান নায়েব উজির জামে মসজিদ

মসজিদের গায়ের শিলালিপি অনুসারে ১৬৬৬ খ্রিষ্টাব্দে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার আমিরাবাদের মোহাম্মদ খান ছিদ্দিকী (রহ:) নায়েবে উজির জামে মসজিদটি নির্মিত হয়। অর্থাৎ এই প্রাচীন মসজিদটি প্রায় ৩৫৩ বছর আগে নির্মিত হয়েছিল। তখন থেকেই ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা এই অঞ্চলে বসবাস করতো। এটি তৎকালীন বাংলার মুসলিম-স্থাপত্যের এক উৎকৃষ্ট নিদর্শন। বাংলাদেশে ইসলামের প্রবশেদ্বার বলা হয় চট্টগ্রামকে। …

Read More »

কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ৩০০ বছরের পুরনো গুপ্ত জমিদার বাড়ি

দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া তেওয়ারিহাটের সাথেই দণ্ডায়মান সাড়ে তিন শতাধিক বছরের পুরনো গুপ্ত এস্টেট তথা জমিদার বাড়ি। জমিদার রামমোহন গুপ্ত পদুয়ায় ১০ একর জমির ওপর নির্মাণ করেন অপূর্ব স্থাপত্যশৈলীর এই প্রাসাদসম অট্টালিকা। কালের পরিক্রমায় এ জমিদার বাড়ি তার জৌলুস অনেকটাই হারিয়েছে। কথিত আছে, এ বাড়ির সামনে দিয়ে একসময় কেউ জুতা পায়ে কিংবা ছাতা …

Read More »

লোহাগাড়ায় স্মৃতিসৌধ ও শহীদ মিনারের ইতিকথা

লোহাগাড়া উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নানা পটভূমিতে নির্মিত হয়। ১৯৯০ সালের ১৬ ডিসেম্বর লোহাগাড়ায় শহীদ মিনার স্থাপনের দাবি ওঠে। ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত উপজেলায় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার বা স্মৃতিসৌধ ছিল না। দেশপ্রেমিক মানুষেরা বিভিন্নস্থানে বেঞ্চ বা গাছের খুঁটি দিয়ে শহিদ মিনার বানিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতেন। অবশেষে ১৯৯৪ সালের ২১ …

Read More »

অন্যান্য স্থাপনা ও নিদর্শন

মছদিয়া জ্ঞান বিকাশ বিহারঃ প্রায় ৪০০ বছর আগে বিহারটি নির্মান করা হয় বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। উপজেলার এটি একটি অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন। এ বিহারের প্রথম সংস্কার হয় ১৮৩৩ খ্রীষ্টাব্দে। ২০০১ সালে এটির চূড়ান্ত রূপ পায়। আধুনগর মছদিয়া এলাকায় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীর এ মন্দিরটি অবস্থিত। বিহারের তিন পাশে তিনটি দিঘী রয়েছে। দিঘীগুলো হচ্ছে …

Read More »

মঘদিঘী

লোহাগাড়ার প্রাচীন নিদর্শনের অন্যতম সাক্ষী বহন করে বড়হাতিয়ার এ মঘদিঘী। পাল বংশের শাসনামলে এ দিঘী খনন করা হয়। ঐ সময়ে দিঘী থেকে স্বর্ণের নৌকা ও সামাজিক অনুষ্টানের তৈজসপত্র ভেষে আসত বলে লোকমুখে এখনো শোনা যায়। মঘদিঘী পাড়ের ঐতিহাসিক খেলার মাঠ ক্রীড়াবিদদের জন উন্মুক্ত ছিল। দিঘীর পাড় থেকে বহু গুপ্তধন বিভিন্ন …

Read More »

গাব গাছ

এ গাছটির বয়স প্রায় ৪০০ শত বছর। এই গাব গাছ উপজেলার পূর্ব কলাউজান এলাকায় কালের সাক্ষী হয়ে এখনো বেঁচে আছে। গাছের নামানুসারে এলাকাটির নামকরণ করা হয় গাবতল। এ গাছটিকে ঘিরে বহু ইতিহাস ও ঐতিহ্য রয়েছে। এ অঞ্চলটি পাহাড় ও জঙ্গলে বেষ্টিত ছিল। ভয়ে মানুষ একা চলাফেরী করতে পারত না। বন্যপশুরা …

Read More »

লোহার দিঘী

সম্রাট শাহজানের দ্বিতীয় পুত্র শাহজাদা সুজা বাংলার সুবেদার থাকা কালে ১৬৫৯ খ্রীষ্টাব্দের ৫ জানুয়ারি খাজুয়া নামক স্থানে শাহ সুজার বাহিনীর সাথে আওরঙ্গজেবের বাহিনীর যুদ্ধ হয়। শাহজাদা সুজা যুদ্ধে পরাজিত হয়ে আশ্রয় নেওয়ার জন্য আরকানে চলে আসেন। শাহ সুজা আরকানে যাওয়ার পথে লোহাগাড়া ও পরে চুনতীতে অবস্থান করেন। শত্রুদের আক্রমণ প্রতিহত …

Read More »

মুলুক শাহ দিঘী

মোগল আমলে আরব থেকে আমিরাবাদ এলাকায় পীর আউলিয়া হযরত  সৈয়দ আমীর আলী (রহ:) (মুলুক শাহ নামে পরিচিত) ইসলাম প্রচার করতে আসেন। তিনি এই মুলুক শাহ দিঘী খনন করেন। দিঘীর পাশে তাঁহার মাজার রয়েছে। এলাকায় পানি সংকট নিরসনে মুলুক শাহ এ দিঘীটি খনন করেন বলে জানা যায়। দিঘীর আয়তন ৫ একর। …

Read More »

চুনতীর আউলিয়া মসজিদঃ

হযরত মাওলানা নজির আহমদ (রহ:) একজন আধ্যাত্মিক ভাবাপন্ন আলেম ও দানবীর ব্যক্তি ছিলে। যার পুত্র ছিলেন হযরত শাহ হাবিব আহমদ (রহ:)। তিনি একজন প্রখ্যাত অলীয়ে কামেল ও সুফী সাধক ছিলেন। তিনি চুনতী পীর সাহেব কেবলা নামে পরিচিত। অলীকুল শিরোমণি হযরত মাওলানা নজির আহমদ (রহ:) চুনতী রোসাইঙ্গা ঘোনা পাহাড়ে মসজিদটি প্রতিষ্ঠা …

Read More »

খাঁ’র মসজিদ ও দীঘি

উপজেলায় চুনতী ও আধুনগর ইউনিয়নে মোঘল আমলে খা’র মসজিদ নামে দুটি মসজিদ নির্মিত হয়। বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খান এ স্থাপত্য কলার একনিষ্ঠ পোষক ছিলেন। এটি মুসলিম স্থাপত্য শৈলীর অন্যতম নিদর্শন। নবাব শায়েস্তা খা’র পুত্র বুজুর্গ উমেদ খাঁ ১৬৬৬ খ্রীষ্টাব্দে চট্টগ্রাম বিজয় করেন। ঐ সময়ে আধু খাঁ দোহাজারী দূর্গের সেনাপতি ছিলেন। …

Read More »